Skip to Content
প্রোডাক্টভ্যারিয়েন্ট

ভ্যারিয়েন্ট

একটি প্রোডাক্ট কয়েক রকমে বিক্রি হয় — একটি শার্ট S, M আর L মাপে, একটি মগ তিন রঙে। প্রতিটি সমন্বয়ের নিজের দাম, স্টক আর SKU থাকে।

আগে অ্যাট্রিবিউট

ভ্যারিয়েন্ট তৈরি হয় অ্যাট্রিবিউট দিয়ে: সাইজ বা কালারের মতো বারবার ব্যবহারযোগ্য অপশনের সেট। একবার বানিয়ে প্রতিটি প্রোডাক্টে কাজে লাগান।

Sidebar → Products → Attributes। প্রতিটি অ্যাট্রিবিউটে আছে:

  • Name — ভিতরের নাম, ছোট হাতের অক্ষরে, যেমন color
  • Label — কাস্টমার যা দেখেন, যেমন Colour
  • Type — অপশনগুলো কীভাবে দেখাবে
  • Options — মানগুলো, একটি একটি করে যোগ করা যায় আর টেনে ক্রম বদলানো যায়

অপশনগুলো টেনে সেই ক্রমে সাজান যে ক্রমে কাস্টমার দেখবেন। মাপ স্বাভাবিকভাবে পড়া যায় S, M, L, XL হিসেবে — বর্ণানুক্রমে সাজালে হতো L, M, S, XL।

কালার অ্যাট্রিবিউটে হেক্স কোড বা রঙের নাম দুটিই চলে, যাতে স্টোরফ্রন্ট শব্দের বদলে রঙের ঘর দেখাতে পারে।

প্রোডাক্টে ভ্যারিয়েন্ট বানানো

প্রোডাক্টের ফর্মে ভ্যারিয়েন্টের অংশটি দুই ধাপে কাজ করে।

১. অ্যাট্রিবিউট আর তার মান বেছে নিন

অ্যাট্রিবিউট বেছে নিন, তারপর এই প্রোডাক্ট কোন কোন মানে পাওয়া যায় তাতে টিক দিন। একটি শার্ট হয়তো সাইজের মধ্যে শুধু S, M আর L ব্যবহার করবে, যদিও অ্যাট্রিবিউটে XL আর XXL-ও আছে।

২. সমন্বয় তৈরি করুন

Generate SKUs প্রতিটি সমন্বয়ের জন্য একটি সারি বানায়। সাইজ (৩টি মান) আর কালার (২টি মান) দিলে ছয়টি সারি পাবেন — প্রতিটির নিজের Price, Stock, Disc. Price আর SKU সহ।

পরে আরেকটি অ্যাট্রিবিউট যোগ করলে সেটি আগেরগুলোর সাথে গুণ হয়ে যায়, তাই আগের সারিগুলো মুছে যায় না — বরং বেড়ে যায়।

সংখ্যাগুলো বসানো

ছয়টি সারিতে আলাদা করে দাম লেখা ক্লান্তিকর, তাই Apply to All SKUs ব্যবহার করুন: একবার দাম, ছাড়ের দাম, স্টক বা SKU লিখে apply চাপুন, প্রতিটি সারি সেটি নিয়ে নেবে। তারপর যে কয়টি আলাদা সেগুলো ঠিক করে নিন — যে XL-এর দাম বেশি, যে রংটি কম আছে।

আগে থেকে থাকা প্রোডাক্টে একই বারে লেখা থাকে Apply to All Active SKUs, আর সেখানে Purchase Price-ও থাকে।

প্রতিটি ভ্যারিয়েন্টের সারি Inactive করা যায়, তাতে তার ইতিহাস থাকে কিন্তু স্টোরফ্রন্ট থেকে সরে যায়। যে মাপটি আর রাখছেন না সেটি মুছে না দিয়ে এভাবে রাখুন।

যে নিয়মে সবাই আটকান

প্রোডাক্টে ভ্যারিয়েন্ট থাকলে প্রোডাক্ট পর্যায়ের দাম ব্যবহার হয় না। কাস্টমার যে ভ্যারিয়েন্ট বাছেন দাম আসে তার থেকে।

তাই প্রোডাক্টের নিজের দামের ঘরটি ফাঁকা রাখুন আর আসল দামগুলো ভ্যারিয়েন্টে বসান। স্টোরফ্রন্টে ৳০ দেখানো প্রোডাক্ট প্রায় সবসময় এই কারণেই: ভ্যারিয়েন্টওয়ালা প্রোডাক্টে দাম প্রোডাক্ট পর্যায়ে বসানো হয়েছে, নয়তো কোনো একটি ভ্যারিয়েন্ট শূন্যে থেকে গেছে।

স্টকও একইভাবে চলে — প্রতিটি ভ্যারিয়েন্টের নিজের হিসাব, আর সব ভ্যারিয়েন্ট শেষ হলে তবেই প্রোডাক্ট out of stock হয়।

প্রতিটি ভ্যারিয়েন্টে আলাদা ছবি

ভ্যারিয়েন্টের মানে নিজস্ব ছবি দেওয়া যায়, যাতে “Red” বাছলে লাল ছবিটি দেখায়। অ্যাট্রিবিউটে মানটি যোগ করার সময়ই ছবিটি বসান।

শুধু ভ্যারিয়েন্টে বিক্রি হওয়া প্রোডাক্টে আপনি মূল ছবি না দিলে প্রথম ভ্যারিয়েন্টের ছবিটিই ব্যবহার হয়।

সাধারণ সমস্যা

“আমার প্রোডাক্টে ৳০ দেখাচ্ছে।” দাম ভ্যারিয়েন্টে নয়, প্রোডাক্টে বসানো, নয়তো কোনো ভ্যারিয়েন্ট ফাঁকা দামে সংরক্ষিত হয়েছে। প্রতিটি সারি দেখুন।

“প্রকাশ আটকে যাচ্ছে, কারণ বুঝছি না।” কোনো একটি ভ্যারিয়েন্টের সমন্বয়ে দাম বসানো হয়নি। ফর্ম নিজেই ওই সারিতে নিয়ে যাবে।

“অনেক বেশি সারি তৈরি হয়ে গেছে।” প্রতিটি অ্যাট্রিবিউট আগেরগুলোর সাথে গুণ হয়। তিনটি অ্যাট্রিবিউটে ৪ × ৩ × ২ = ২৪টি সারি। যেগুলো সত্যিই বিক্রি করেন শুধু সেই মানগুলোতেই টিক দিন।

Last updated on